অভিনয়ের জগতে দীর্ঘ পথচলার পর এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয়ে নজর কাড়লেন প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য। টলিউডের পরিচিত এই অভিনেত্রী এখন একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন। তাঁর এই নতুন যাত্রার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি অর্জন করেছেন রাষ্ট্রীয় গৌরব সম্মান ২০২৬, যা তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠেছে।
নিজের প্রতিষ্ঠিত সিলভার ল্যাব গ্রোন ডায়মন্ড জুয়েলারি ব্র্যান্ডের জন্যই এই সম্মান পেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। ভারতের মানবাধিকার কমিশন এর তরফে দেওয়া এই পুরস্কার তাঁর ব্যবসায়িক সাফল্যের এক বড় প্রমাণ। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর জুয়েলারি ব্র্যান্ড ক্রেতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে, যা তাঁর পরিকল্পনা ও পরিশ্রমের প্রতিফলন।
২০১০ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে ধীরে ধীরে অভিনয়ে নিজের জায়গা তৈরি করেন প্রিয়াঙ্কা। কলকাতা থেকে মুম্বই পর্যন্ত তাঁর যাত্রা ছিল সংগ্রাম আর সাফল্যের মিশেলে গড়া। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসার প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল ছোটবেলা থেকেই, যা পরিবার থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণায় আরও শক্তিশালী হয়েছে।
প্রিয়াঙ্কার ভাবনা ছিল এমন একটি জুয়েলারি ব্র্যান্ড তৈরি করা যা একই সঙ্গে মার্জিত এবং সাধ্যের মধ্যে। সেই লক্ষ্য নিয়েই তিনি জুয়েলারি ব্র্যান্ড লঞ্চ করেন ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কলকাতায় প্রথম স্টোর চালু করেন। তিনি চান প্রতিটি মেয়ের প্রথম ডায়মন্ড অভিজ্ঞতা হোক তাঁর ব্র্যান্ডের মাধ্যমে।
আরও পড়ুনঃ ‘পরশুরাম’ ও ‘পরিণীতা’র হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এই সপ্তাহের টিআরপি সিংহাসন দখল করল কে? পিছিয়ে পড়লো ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’, ‘জোয়ার ভাঁটা’ এবং ‘রাঙামতি’র লড়াইয়ে কে এগিয়ে রইল? জি বাংলা নাকি স্টার জলসা কোন চ্যানেল করছে বাজিমাত?
এই সম্মান পাওয়ার পর প্রিয়াঙ্কা জানান, এটি তাঁর উদ্যোক্তা জীবনের প্রথম বড় অর্জন এবং তিনি এই মুহূর্তকে বিশেষভাবে মনে রাখবেন। ভবিষ্যতে আরও বড় কিছু করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছেন তিনি। অভিনয় ও ব্যবসা, দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে সফল হওয়ার এই প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
